মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

ভূমি উন্নয়ন কর ও বিভিন্ন ফি

কৃষিজমির ভূমি উন্নয়ন কর বা খাজনারহার:
বাংলাদেশে বর্তমানেপ্রচলিত ভূমি উন্নয়ন কর বা খাজনার হার:
(যোগসূত্র স্মারকনং ভূঃ মঃ/শা-৩/কর/১০০/৯২-১০৬(১০০০) তারিখ ১৬/২/১৪০২ বাংলা মোতাবেক৩০/৫/১৯৯৫ ইং তারিখে পাশকৃত সংশোধনী অনুযায়ী):
কৃষিজমিরক্ষেত্রে:
  • ২৫ বিঘাপর্যন্ত ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) মওকুফ করেদিয়েছে ৷
  • ২৫ বিঘারঅধিক হতে ১০ একর পর্যন্ত জমির জন্য প্রতি শতাংশ জমির জন্য ৫০ পয়সা করে ৷
  • ১০ একরেরউধ্বে হলে প্রতি শতাংশ জমির জন্য ১ টাকা হারে খাজনা দিতে হবে ৷

 

মিউটেশন (নামজারী) জমা ভাগ ও জমা একত্রিকরন সংক্রান্ত নিয়মাবলী

 

মিউটেশনের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর দরখাসত্ম দাখিল করতে হবে।

মিউটেশনের আবেদনের সাথে নিম্ন বর্ণিত কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।

(ক) প্রযোজ্য ক্ষেত্রেঃ  ১। ক্রয় ও প্রয়োজনীয় বায়া দলিলের কপি। ২। ওয়ারিশ সনদপত্র  ৩। হেবা দলিলের কপি এবং সকল রেকর্ড বা পর্চা খতিয়ানের সার্টি ফাইড কপি। ৪। সর্বশেষ জরিপের পর থেকে বায়া /পিট দলিল এর সার্টি ফাইড/ফটোকপি

৫। ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের দাখিলা ।  ৬। তফফিল বর্ণিত চৌহদ্দিসহ কলমি নকসা ০১ কপি।

(খ) মিউটেশনের খরচঃ

(ক) আবেদন বাবদ কোর্ট ফি = ৫/- (পাঁচ টাকা)

(খ) নোটিশ জারী ফি = ২/- (দুই টাকা) (অনাধিক ৪ জনের জন্য ) চার জনের অধিক প্রতিজনের জন্য আরো ০.৫০ টাকা হিসাবে আদায় করা হবে।

(গ) রেকর্ড সংশোধন ফি = ২০০/- (দুইশত) টাকা।

(ঘ) প্রতিকপি মিউটেশন খতিয়ান ফি = ৪৩/- (তেতালি­শ) টাকা।

সর্বমোট= ২৫০/- (দুইশত পঞ্চাশ) টাকা + চার জনের অধিক হলে নোটিশ জারী ফি প্রতিজনের জন্য আরো ০.৫০ টাকা হিসেবে আদায় করা হবে।

বিঃদ্রঃ দরখাস্ত জমা দেওয়ার দিন থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে মিউটেশন কেস নিষ্পত্তি না হলে এবং উলে­খিত খরচের অতিরিক্ত ফি কেউ দাবী করলে সহকারী কমিশনার (ভূমি)/ উপজেলা নির্বাহী অফিসার/রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর/অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অথবা জেলা প্রশাসকের সাথে যোগাযোগ করুন।

 

 

 

 

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর

বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইনের (১৮৮৫) অধীনে ভূমির মালিকানা সমপর্কিত খতিয়ান প্রণয়ন কাজ পরিচালনার লক্ষ্যে 'ভূমি রেকর্ড ও কৃষি' নামে তত্কালীন বোর্ড অব রেভিনিও এর নিয়ন্ত্রণাধীনে একটি দপ্তর সৃষ্টি করা হয়। পরবর্তীতে ১৮৮৮ সালে 'ভূমি রেকর্ড দপ্তর' নামে একটি স্বতন্ত্র দপ্তর গঠিত হয়।জরিপ বা সার্ভে কাজ 'সার্ভে অব ইন্ডিয়া' নামে পৃথক একটি দপ্তরের ওপর ন্যাস্ত ছিল। ১৯১৯ সালে জরিপের কাজ ভূমি রেকর্ড দপ্তরের ওপর ন্যাস্ত হওয়ায় ভূমি রেকর্ড দপ্তর ভূমি রেকর্ড ও জরিপ পরিদপ্তর হিসাবে গড়ে উঠে।১৯৭৪ সাল পর্যন্ত একজন উপ-সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তার নেতৃত্বে এই পরিদপ্তরের কার্যক্রম পরিচালিত হত। এরপর ১৯৭৫ সালে এটি একটি অধিদপ্তরে রূপান্তরিত হয়। Survey (CS) জরিপের সময় সার্ভে ও সেটেলমেন্ট বিভাগের প্রধান অফিস ছিল কোলকাতায়, তবে চলমান CS রেকর্ডের সময় সংশি্লষ্ট জেলা পর্যায়ে সেটেলমেন্ট অফিস ছিল। দেশ বিভাগের পর অস্থায়ীভাবে বরিশাল জেলার 'ব্রাউন কমপাউন্ডে' জরিপ বিভাগের অফিস স্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে বরিশাল জেলা হতে জরিপ অফিস ঢাকার ওয়াইজ ঘাটে নবাব এষ্টেটের বাড়ীতে স্থানান্তর করা হয়। আরো কিছুদিন পরে টিপু সুলতান রোডের (ওয়ারী) ভাড়া বাড়ীতে অফিস স্থানন্তর করা হয়। অধিদপ্তরের নির্মাণ সমাপ্ত হলে ১৯৫৩ সনে টিপু সুলতান রোড হতে জরিপ অফিস বর্তমান স্থানে স্থানান্তর করা হয়। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর সেটেলমেন্ট প্রেস অবিভক্ত ভারতের হুগলী হতে স্থানান্তরিত হয়ে ১৯৪৮ সালে প্রথমে রংপুরে স্থাপিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৬০ সালে এটি ঢাকায় স্থানান্তর করা হয় ভূমি জরিপ ও ভূমির মালিক/দখলদার সমপর্কিত কাগজপত্র প্রণয়ন ভূমি ব্যবস্থাপনার একটি অপরিহার্য অঙ্গ।

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর মাঠ পর্যায়ে জরিপসহ বিভিন্ন পর্যায়ে পরীক্ষা ও পর্যালোচনার মাধ্যমে ভূমির স্বত্বলিপি প্রস্তুত করে। দেশের জনসংখ্যার তুলনায় ভূমির পরিমাণ অপ্রতুল হওয়ায় ভূমির ওপর চাপ অত্যাধিক বিধায় এ কাজটি বেশ জটিল এবং সপর্শকাতর। বর্তমানে অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদা সমপন্ন একজন মহাপরিচালকের অধীনে যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদা সমপন্ন তিন জন কর্মকর্তা, উপ-সচিব পদমর্যাদা সমপন্ন ঊনিশ জন কর্মকর্তা, সিনিয়র সহকারী সচিব পদমর্যাদা সমপন্ন চলি্লশ জন কর্মকর্তাসহ সরমোট প্রায় ছয় হাজার কর্মকর্তা ও কর্মচারী অধিদপ্তরের আওতা ধীনে কাজ করছেন।

তথ্যসূত্র: http://dlrs.bcc.net.bd/